ডি আর কঙ্গোর বিপক্ষে ছায়া হয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকলেও লক্ষ্যভেদে একটি শটও নিতে পারেননি। তিনটি শট নিলেও সবগুলোই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। আক্রমণাত্মক এলাকায় মাত্র সাতটি পাস দেওয়ার চেষ্টা করেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। তাও কাজে আসেনি।
রোনালদোর এমন হতশ্রী পারফরম্যান্সের দিনে কঙ্গোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে পর্তুগাল। তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষের সঙ্গে পয়েন্ট খোয়ানোয় অনেকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন রোনালদোকে।
তবে এসব সমালোচনার গায়ে মাখছেন না পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ। তিনি জানিয়েছেন, রোনালদোকে বদলি করার মতো কোনো কারণ খুঁজে পাননি তিনি।
অবশ্য জাতীয় দলের জার্সিতে বড় টুর্নামেন্টে রোনালদোর গোলখরা নতুন নয়। এ নিয়ে বিশ্বকাপে টানা ৫ ম্যাচ গোলহীন থাকলেন রোনালদো। বিশ্বকাপের সঙ্গে ইউরো বিবেচনায় নিলে, টানা ১০ ম্যাচে কোনো গোল করতে পারেননি।
বাজে পারফরম্যান্সের পরও রোনালদোকে কেন বদলি করাননি, এমন প্রশ্নের জবাবে পর্তুগাল কোচ মার্তিনেজ বলেছেন, ‘যে ম্যাচে আপনার গোল সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সে ম্যাচে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে তুলে নেওয়ার কোনো মানে হয় না।’
তাহলে পর্তুগালের সমস্যাটা কোথায় ছিল? মার্তিনেজের মতে, পর্তুগালের খেলায় তেমন আগ্রাসন ছিল না, ‘আমাদের শুরুটা খুব ভালো ছিল। আমাদের খেলার মান, ম্যাচের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিপক্ষের বক্সে ঢুকে পড়ার ধরন- সবই ছিল দারুণ। সাধারণত গোলের পর সেই আবেগ দলকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে এবং দ্বিতীয় গোলের চেষ্টা করতে সাহায্য করে। কিন্তু এবার ঠিক উল্টোটা হয়েছে।’
হতাশা ঝেড়ে মার্তিনেজ আরও বলেন, ‘বরং আমরা বলের দখল ধরে রাখতে বেশি মনোযোগী হয়ে পড়ি। এর ফলে কঙ্গো তাদের রক্ষণভাগ নতুন করে সাজানোর এবং পাল্টা আক্রমণের পরিকল্পনা করার সুযোগ পায়। আমরা আক্রমণের গভীরতা হারিয়ে ফেলি, যা কঙ্গোকে সাহায্য করেছে।’
তবে একটি ম্যাচের ফল নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ দেখছেন না মার্তিনেজ।


